মাত্র ১০০ টাকা খরচ করলেই ভারতের নাগরিকত্ব পাবে ভারতে বসবাসকারী পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের হিন্দুরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবদানেই সস্তায় মিলছে এ নাগরিকত্ব । তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা ঠিক কতজন হিন্দু বর্তমানে ভারতে বাস করছে তার সঠিক তথ্য এই মুহুর্তে নেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ি, আনুমানিক দুই লাখের মত হিন্দু শরণার্থী ভারতের আশ্রয়ে রয়েছে বলে ধারণা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। অনেকের মতে এ ধরনের আশ্রয়প্রার্থী নাগরিকের সংখ্যা ৫০ লাখেরও বেশি হতে পারে। তাদের মতে, বেশিরভাগ আশ্রয়প্রার্থীই চোরাইভাবে ভারতে গিয়ে গোপনে সেখানে বসবাস শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরাসহ বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন প্রদেশগুলোতে এ ধরনের বসবাসকারি নাগরিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
এ সব হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের ভারতে নাগরিকত্ব তুলে দিতেই উদার হয়েছে মোদি সরকার। নাগরিক হিসেবে রেজিস্ট্রেশনের খরচ ১৫০০০ টাকা থেকে কমিয়ে এনে এদের জন্য করা হয়েছে মাত্র ১০০ টাকা । এছাড়া এই শরণার্থীদের জন্য অন্যান্য সুবিধার প্যাকেজ হিসেবে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখছে মোদি সরকার। যার মধ্যে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি দেওয়ার পরিকল্পনাও থাকছে ।
উল্লেখ্য, ক্ষমতায় আসার পর থেকে বরাবরই এসব শরণার্থীদের জন্য বিশেষ ভাবনাচিন্তা করেছে মোদি সরকার। দীর্ঘমেয়াদি ভিসার মেয়াদ আরও বাড়ানো দিয়ে শুরু হয়েছিল এ প্রক্রিয়া। এরপর ভিসার মেয়াদ অতিক্রান্ত হলেও মানবিকতার খাতিরে দেশে থাকার অনুমতি দিয়েছিল সরকার। আর এখন তো এসব আশ্রয়প্রাথীদের বিদেশী নাগরিকের তকমা মুছে সহজ শর্তে ভারতের নাগরিকত্ব দিয়ে সব ধরনের নাগরিক পরিসেবা দেওয়ার চিন্তা করছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার ।