প্রথম স্ত্রীকে খুন করে লাশ বাড়ির উঠানে পুঁতে রেখেছিলেন পাষণ্ড স্বামী। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করে দ্বিতীয় স্ত্রী। এক মাস পর গতকাল রোববার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যৌতুকের দাবিতে এক মাস আগে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
চন্দনাইশ উপজেলার জাফরাবাদ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ খুন হওয়া ছকিনার সতিন জুনু আক্তার ও স্বামী মনছফ আলীকে আটক করেছে।
চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হত্যার দুই বা তিন দিন পর প্রথম স্ত্রীর ছোট বোন রিনা আক্তারকে মনছফ জানান, ছকিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো আত্মীয়র বাসায় গিয়েছে কি না খোঁজখবর নিতে বলে।
তিনি বলেন, শ্যালিকা তখনই দুলাভাইকে সন্দেহ করেন। এরপর ৩১ মার্চ থানায় এসে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন রিনা আক্তার। ওই মামলায় মোবাইল ট্র্যাকিং করে শনিবার হাটহাজারী থেকে ছকিনার সতিন জুনু আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রোববার দুপুরে ঘরের সামনের একটি গর্ত থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জুনু জানান, বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে গত ২৫ মার্চ দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে প্রথম স্ত্রীর বাড়িতে আসেন সিএনজি অটোরিকশাচালক মনছফ আলী।
ওই রাতে যৌতুকের বিষয় নিয়ে ছকিনার সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে রাত ২টায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় ছকিনাকে। এরপর দুজনে মিলে ঘরের সামনের উঠানে গর্ত করে লাশ পুঁতে রাখেন।